রাজশাহীতে অনেকের পৈতৃক বা কেনা জমি আছে, কিন্তু নিজে ভবন করার মতো পুঁজি বা সময় নেই। এমন ক্ষেত্রে ডেভেলপারের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার বা যৌথ উদ্যোগ একটি কার্যকর সমাধান।
জয়েন্ট ভেঞ্চার কীভাবে কাজ করে
জমির মালিক জমি দেন, আর ডেভেলপার নকশা, অর্থায়ন, নির্মাণ ও বিক্রয়ের দায়িত্ব নেন। নির্মাণ শেষে চুক্তি অনুযায়ী ফ্ল্যাটগুলো দুই পক্ষের মধ্যে ভাগ হয়।
জমির মালিকের সুবিধা
- নিজের টাকা বিনিয়োগ ছাড়াই আধুনিক ভবন
- জমির মূল্য বৃদ্ধি
- নিজের অংশের ফ্ল্যাট থেকে বসবাস বা ভাড়ার সুযোগ
- নির্মাণের ঝামেলা ডেভেলপারের
অংশ কীভাবে নির্ধারিত হয়
জমির অবস্থান, পরিমাণ ও সামনের রাস্তার প্রশস্ততার ওপর অনুপাত নির্ভর করে। বিষয়টি খোলামেলা আলোচনা করে লিখিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়।
চুক্তির আগে যা যাচাই করবেন
- ডেভেলপারের হস্তান্তরিত প্রকল্প দেখে নিন।
- নির্মাণের সময়সীমা চুক্তিতে স্পষ্ট আছে কি না দেখুন।
- কোন ফ্লোরে কোন ফ্ল্যাট আপনার অংশে পড়বে তা লিখিত নিন।
- নির্মাণসামগ্রীর মান সম্পর্কে জেনে নিন।
ট্রাইকনের সাথে শুরু করুন
আপনার জমি নিয়ে আলোচনা করতে জমির মালিক পেজ থেকে জমির তথ্য পাঠান। আমাদের টিম সরেজমিন দেখে আপনার সাথে কথা বলবে।